1. doinikanusandhanbd@gmail.com : anusandhanbd :
১৮ বছরেও দুর্ভোগ কাটেনি ভোলা- লক্ষ্মীপুর নৌরুটেরযাত্রীদের : হুমকিতে লঞ্চ-ফেরী চলাচল - দৈনিক অনুসন্ধান বিডি - Doinik Anusandhan Bd        
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আধুনিক বরিশালের রূপকার শওকত হোসেন হিরনের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বরিশাল জেলার সকল ছাত্রদল নেতাকর্মী ও বরিশালবাসী “আসিফ আল-মামুন’কে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসাবে দেখতে চান। দিল্লির বৈঠকে শেখ হাসিনা-কামাল”কে ফেরত চাইল ঢাকা রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাশ চালুর পরিকল্পনা সরকারের, শিক্ষার্থীরাও আগ্রহী মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে চীন সফরে যাচ্ছে বিএনপির প্রতিনিধিদল “প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ” অস্ট্রেলিয়া ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করল ষড়যন্ত্রের শিকার আবু সালেহ ফরাজি, বরিশাল বিভাগীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন বরিশাল সিটি’র নতুন প্রশাসক ” অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরীন” জাতীয় ছাত্রশক্তি ছাত্র সংগঠনের বরিশাল মহানগরের সদস্যসচিবের অসদাচরণ ও কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ

১৮ বছরেও দুর্ভোগ কাটেনি ভোলা- লক্ষ্মীপুর নৌরুটেরযাত্রীদের : হুমকিতে লঞ্চ-ফেরী চলাচল

  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার,ভোলা অফিসঃ

ঈদের আগে ভোলা-লক্ষীপুর নৌরুটে নাব্য সংকট। ১৮ বছরেও দুর্ভোগ কাটেনি ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটের যাত্রীদের। হুমকিতে লঞ্চ-ফেরী চলাচল। মতিরহাট ঘাট স্থানান্তর দাবি, কমবে সময়।

ঈদের আগে ভোলার মেঘনা নদীতে নাব্যতা সংকটের কারনে হুমকির মুখে পড়েছে ভোলা-লক্ষীপুর নৌপথ। জোয়ার ভাটার উপর নির্ভর করে চলছে নৌযানগুলো। ডুবচর এরিয়ে ১২ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হচ্ছে লক্ষীপুর ঘাটে। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকছে যানবাহন। ভোগান্তি এরাতে নদী ড্রেজিং করা পাশাপাশি মতিরহাট ঘাট স্থানান্তর করার দাবি এই রুটের নৌযান ব্যবহারকারীদের।

ভোলা-লক্ষ্মীপুর-নৌপথের আরেক নাম ভোগান্তি। মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জেগে উঠেছে অসংখ্য ডুবোচর। তার সঙ্গে নাব্য সংকট তো আছেই। এ কারণে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় ঘাটে।

ইলিশা ঘাটের কাছে জেগে ওঠা ডুবোচরের কারণে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটের নৌযানগুলো কয়েক কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করছে। এমন একাধিক ডুবোচর রয়েছে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে। বিশেষ করে মেঘনা নদী থেকে মজু চৌধুরীর ঘাটে ঢুকতে চর রমনির প্রায় ৪ কিলোমিটারজুড়ে তীব্র নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে। এতে চ্যানেলে ফেরি একবার আটকে গেলে জোয়ারের জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।

এছাড়াও মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ডুবোচর সৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে নাব্য সংকট দেখা দিয়েছে।অতিরিক্ত সময় লাগায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দূরপাল্লার যানবাহনে থাকা কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্য।

বিআইডব্লিওটিসির ভোলার ফেরি সার্ভিস ব্যবস্থাপক কাউছার আহাম্মেদ জানান, নাব্য সংকটের কারনে সময় বেশি লাগায় ট্রিপ সংখ্যা কমে গেছে। এতে সরকার রাজস্ব কম পাচ্ছে। তাই ড্রেজিং এর পাশাপাশি ঘাট স্থানান্তর করার দাবি জানান।

এদিকে একই অবস্থা ভোলা-বরিশাল নৌরুটে। ভেদুরিয়া ঘাটের পশ্চিমে ও শ্রীপুর এলায় রয়েছে ডুবচর। এতে ব্যহত হচ্ছে নৌযান চলাচল। অভিযোগ বছরের পড় বছর খনন কাজ হলেও কাজের কাজ হচ্ছে না কিছুই।

দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত ড্রেজিংসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। জানান ড্রেজিং কার্যক্রম চলমান আছে।

২০০৮ সালে ভোলা ও লক্ষ্মীপুর ওনৌপথে ফেরি ও অন্যান্য নৌযান চলাচল শুরু হয়। দীর্ঘ ১৮বছর পেরিয়ে গেলেও নাব্য সংকটে দুর্ভোগ কাটেনি এ পথে চলাচলকারী যানবাহন ও যাত্রীদের। তাই দ্রুত ডেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করে এই নৌ রুট সচল রাখার দাবি নৌযান ব্যবহার কারীদের।

ভোলা-লক্ষ্মীপুর-বরিশাল নৌপথে ১০টি রো রো ফেরি ও ২০টি যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল করে। এসব নৌযানের মাধ্যমে এ পথে প্রতিদিন প্রায় দশ হাজারেও অধিক যাত্রী চলাচল করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014  dailyanusandhanbd.com
Designed By Barishal Host