
আল-আমিন সিকদারঃ
বরিশাল বিভাগীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেকে ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করেছেন পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ আবু সালেহ ফরাজি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার একটি ছবি ভাইরাল করা হয়েছে, যেখানে তাকে মাদক সেবন করতে দেখা যায়। তবে ছবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট এবং সুপার এডিট করে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এর সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলেও জানান আবু সালেহ ফরাজি।
তিনি আরও বলেন, পারিবারিক জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি অসাধু চক্র তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি সেই অবৈধ দাবি প্রত্যাখ্যান করায় প্রতিহিংসাবশত তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে।
আবু সালেহ ফরাজি জানান, তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কুয়াকাটা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এ ঘটনার জেরে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি মনে করেন, এটিও একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ এবং যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে তার সাথে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই।
তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে তার বিরুদ্ধে কখনো মাদক বা নারী সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ ওঠেনি। অথচ একটি কুচক্রী মহল ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ঘটনার বিষয়ে তিনি সাইবার ডিভিশনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেনঃ-
১। বাচ্ছু খলিফা (পিতা: ইউসুফ খলিফা),
২। মহিবুল্লাহ পাটওয়ারী (পিতা: অঙ্গাত)
৩। মো. আলী (পিতা: খলিল ওরফে লম্বা খলিল),
৪। সম্রাট শরীফ (পিতা: জলিল শরীফ)
৫। মোতালেব শরীফ (পিতা: রজব আলী শরীফ)
৬। মনির শরীফ (পিতা: আবুল শরীফ)
৭। জাহিদুল (পিতা: রশিদ মাঝি)
৮। আলী হায়দার শেখ (পিতা: ওয়াজেদ আলী শেখ)
৯। সিরু মোল্লা (পিতা: মজিদ মোল্লা) তারা সবাই
পটুয়াখালীর মহিপুরের কুয়াকাটা পৌরসভার বাসিন্দা।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের কাছে সত্য ঘটনা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে জারিকৃত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের জন্য বিনীত অনুরোধ জানান।