
অনুসন্ধান ডেস্কঃ
বরিশালে চরমোনাইর বুখাইনগর বাজারে পুরোনো ফ্রিজের পরিবর্তে নতুন ফ্রিজ না দেয়ায় শোরুম মালিক এবং পরিচালক ব্র্যাক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং মোঃ শাহ আলম এর উপর হামলা চালান ও শোরুম লুটপাট ও ব্যাংক থেকে নগদ সাথে থাকা ৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নিয়ে যান,বরিশাল চরমোনাই ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক “মাসুম বেপারীর” নির্দেশে তার দুই ছেলে জিহাদ বেপারি (২২), সরাফত বেপারি (২৬)সহ তাদের নেতৃত্বে ২০/২৫ জনার একটি সন্ত্রাসী বাহিনী।
পরে সাহ আলম’কে স্থানীয় লোকজন বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল নিয়ে যান।
এ বিষয়ে সাংবাদিকদের মোঃ সাহ আলম জানান ২০২০ সালে আমার শোরুম থেকে “মাসুম বেপারি ” একটি ফ্রিজ নেন আমরা সাধারণত দুই বছর ফ্রি সার্ভিস করে দেই কিছু প্রয়োজন হলে, কিন্তু তাকে একাধিক বার আমরা সার্ভিস করে দেই কিন্তু ২০২৬ সালে এসে এখন সে বলেন ফ্রিজ পরিবর্তন করে দিতে এবং সে চরমোনাই বিএনপির আহবায়ক সেই ক্ষমতায় আমার কাছে মোটা অংকের টাকাও দাবি করে বেশ কয়েকবার,আমি দিতে রাজি হইনি কারন আমি শহীদ জিয়ার রাজনীতি বুকে লালন করি। সে কারনে অনেক বার মামলা হামলার শিকারো হয়েছি।
এখন ২০২৬ সালে এসে কেনো চাঁদা দিতে হবে। এই সব বিষয় নিয়ে মাসুম বেপারি আমার উপর অনেক ক্ষুব্ধ ছিলো।
২৮/০২/২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ মিনিটের দিকে ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠান থেকে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে তা সকল বিষয় আমার সিসিটিভিতে প্রমান রয়েছে।
এই বিষয়ে বরিশাল সদর থানাতে ( কোতোয়ালি ) একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভুগি পরিবারের সদস্যরা আরো বলেন মামলা হয়েছে সেটা সেটা সোনার পর থেকেই শোরুম মালিক সহ তার লোকজনকে হুমকিধামকি দিয়ে আসছিলেন বিএনপি নেতা মাসুম ও তার ছেলেরা।
শুক্রবার রাতে ওই ঘটনার জেরে” সাহ আলম”কে না পেয়ে তার স্বজনদের উপর ফের হামলা করেন, বিএনপি নেতা মাসুম বেপারি ও তার দুই ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা “আল মামুন উল ইসলাম “।
এবিষয়ে ভুক্তভুগি পরিবারটি
“চরমোনাই ইউনিয়ন বিএনপির আহব্বায়ক মাসুম বেপারীর” সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে ও দ্রুত বিচার পাওয়ার জন্য একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন।