
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আজ বরিশালের সাংবাদিক অঙ্গনের সুপরিচিত মুখ, সৎ ও সাহসী কলমযোদ্ধা খান আরিফের জন্মদিন। জন্মদিনের এই বিশেষ দিনে তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন, সংগ্রামী পথচলা এবং সাংবাদিকতায় অনন্য অবদানের দিকে গভীর শ্রদ্ধায় ফিরে তাকাচ্ছেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও পাঠকসমাজ।
খান আরিফ জন্মগ্রহণ করেন ১ জানুয়ারি ১৯৯০ সালে বরিশাল নগরীর মুসলিম গোরস্থ রোডে নিজস্ব বাসভবনে। তিনি এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন। তাঁর পিতা শাজাহান খান এবং মাতা কোহিনুর বেগম। পারিবারিক শিক্ষায় শৈশবকাল থেকেই ন্যায়বোধ, সততা, মানবিকতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা তাঁর চরিত্রে সুস্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যা পরবর্তীতে তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
শিক্ষাজীবনে তিনি মথুরানাথ পাবলিক হাই স্কুল থেকে ২০০০ সালে মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই সমাজের অসংগতি, অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সচেতন দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে ওঠে তাঁর। সেই আগ্রহ থেকেই তিনি সাংবাদিকতার মতো একটি দায়িত্বশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ পেশাকে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেন।
২০০৯ সালে তিনি জাতীয় দৈনিক সংগ্রহ বার্তা পত্রিকায় বরিশাল প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হন। শুরু থেকেই তিনি সাহসিকতা, নিষ্ঠা ও বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদনের মাধ্যমে আলাদা করে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হন। সত্য প্রকাশের প্রশ্নে কখনো আপস না করে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে নানা প্রতিকূলতা ও চাপের মুখেও অবিচল ছিলেন তিনি। অনিয়ম-দুর্নীতি, সামাজিক অবিচার ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তাঁর কলম সবসময় ছিলো দৃঢ় ও প্রতিবাদী।
বর্তমানে তিনি জাতীয় দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার বিভাগীয় ব্যুরো হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দৈনিক বরিশালের চোখ অনলাইন পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে পত্রিকাটি সত্যনিষ্ঠ, নির্ভীক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকমহলে আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে। স্থানীয় সমস্যা, সাধারণ মানুষের কথা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দাবি তুলে ধরতে তিনি বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।
সহকর্মীদের কাছে খান আরিফ একজন দায়িত্বশীল, ন্যায়পরায়ণ, সংগ্রামী ও সহানুভূতিশীল মানুষ হিসেবে পরিচিত। সাংবাদিকতাকে তিনি শুধুমাত্র পেশা হিসেবে নয়, বরং সমাজ পরিবর্তনের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করেন। সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে তিনি বিশ্বাস করেন—একটি কলমই পারে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রতিবাদ গড়ে তুলতে।
জন্মদিনের এই বিশেষ দিনে এই গুণী, সংগ্রামী ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সাংবাদিকতা জীবনের আরও সাফল্য কামনা করছেন তাঁর সহকর্মী, বন্ধু ও পাঠকবৃন্দ।