1. doinikanusandhanbd@gmail.com : anusandhanbd :
ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি "ফয়সাল " বনগাঁও সীমান্তে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফের অভিযানে সহযোগীসহ আটক। - দৈনিক অনুসন্ধান বিডি - Doinik Anusandhan Bd        
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সাব-ইন্সপেক্টর রেজাউল ইসলাম রেজার নেতৃত্বে অভিযান, বরিশালে ৪৫ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ বরিশাল নগরীতে স্বর্ণের দোকানে পরিচয়, কুরআনের দোহাই দিয়ে প্রতা/রণা: ‘প্রেমিক’ শাকিব এখন গারদে জাতীয় ছাত্রশক্তির বরিশাল জেলা আহ্বায়ক হলেন জুলাই আন্দোলন থেকে উঠে আসা গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা কাজী আবু যাঈদ ১০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক দুই মহিলা মাদক ব্যবসায়ী হাজী মোহাম্মদ মহসিন মার্কেটে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সভাপতি মোঃ শাহাদাত হোসেন সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক “এডভোকেট সোহানুর রহমান সুমন “ বরিশালে সরকারি খাস কৃষিজমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ দীর্ঘদিনের ভোগদখল উপেক্ষা করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বেইজিংয়ে গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ধর্ম অবমাননার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতার ঘরবাড়ি ভাঙচুর। শিশু ধর্ষণচেষ্টা গণপিটুনিতে ধর্ষকের মৃত্যু মেহেন্দীগঞ্জে নদীতে নি’খোঁ’জে’র ৩৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার হলো ম*র*দে*হ।

ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি “ফয়সাল ” বনগাঁও সীমান্তে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফের অভিযানে সহযোগীসহ আটক।

  • প্রকাশিত সময়ঃ সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৫১৯ বার পড়া হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গ বনগাঁওঃ

ঢাকা: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। সীমান্তবর্তী বনগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই।

এএনআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার (৯ মার্চ) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ শাখা বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও হত্যাসহ গুরুতর অপরাধের পর তারা অবৈধভাবে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। পরে ভারতের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান শেষে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ৭ ও ৮ মার্চের মধ্যবর্তী রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

রোববার তাদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

এদিকে এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য পায়নি বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “এ বিষয়ে এখনো আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য আসেনি।” একই বিষয়ে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানান, “গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। এখন যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।”

উল্লেখ্য, আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর। সেদিন জুমার নামাজের পর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগ শেষে রিকশায় করে যাওয়ার সময় পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা শরিফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন।

গুরুতর অবস্থায় প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে হাদির মৃত্যুর পর মামলায় হত্যার ধারা যুক্ত হয়। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ গত ৬ জানুয়ারি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, হাদি নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করেছিলেন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই তাকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ফয়সাল করিম মাসুদ সরাসরি গুলি চালান এবং তাকে সহযোগিতা করেন আলমগীর হোসেনসহ অন্যরা। হত্যাকাণ্ডের পর তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ ক্যাটাগরির আরো নিউজ
© All rights reserved © 2014  dailyanusandhanbd.com
Designed By Barishal Host